রাশেদ মিয়া কুমিল্লার একজন সাধারণ মুদি দোকানদার। সংসারে স্ত্রী ও দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে ছোট্ট সুখের সংসার। ক্রিকেট তাঁর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ – ছোটবেলা থেকেই বাংলাদেশ দলের প্রতিটি ম্যাচ তাঁর মনে বিশেষ জায়গা নিয়েছে। বন্ধুর মুখে ok tk1-এর নাম শুনেছিলেন কয়েক মাস আগে। প্রথমে একটু সন্দেহ ছিল – "অনলাইনে বাজি ধরা মানেই কি টাকা হারানো?" এই প্রশ্নটা মাথায় ঘুরত।
কিন্তু রাশেদ ভাই হাল ছাড়লেন না। ok tk1-এর বিশ্লেষণ বিভাগ পড়তে শুরু করলেন। দলের পারফরম্যান্স, পিচের অবস্থা, আবহাওয়া – সব কিছু মিলিয়ে তিনি বাজি ধরার সিদ্ধান্ত নিতেন। প্রথম সপ্তাহে মাত্র ৳৫০০ দিয়ে শুরু, কোনো বড় ঝুঁকি নেননি। ok tk1-এর ইন্টারফেস বাংলায় হওয়ায় বুঝতে একটুও সমস্যা হয়নি।
"আমি ক্রিকেট চিনি, দল চিনি, খেলোয়াড় চিনি – ok tk1 আমাকে শুধু একটা সুযোগ দিয়েছে সেই জ্ঞানকে কাজে লাগানোর। প্রথম দিন ৳৮০০ পেলাম, মনে হলো এটা সত্যি কাজ করে।"
— রাশেদ মিয়া, কুমিল্লাকীভাবে শুরু করলেন?
ok tk1-তে নিবন্ধন করতে সময় লেগেছিল মাত্র দুই মিনিট। বিকাশে ৳৫০০ ডিপোজিট করলেন, সাথে স্বাগত বোনাস পেলেন আরও ৳৫০০। মোট ৳১,০০০ নিয়ে শুরু। বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কার T20 ম্যাচে বাংলাদেশের পক্ষে বাজি ধরলেন।
তিন মাসের যাত্রা
ধীরে ধীরে রাশেদ ভাই ok tk1-এর প্ল্যাটফর্মটা আরও ভালো বুঝতে পারলেন। লাইভ বেটিং, ইন-প্লে অডস, ম্যাচের মাঝখানে বাজি বদলানোর সুবিধা – সব কিছু মিলিয়ে তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়তে লাগল।
প্রথম সপ্তাহ
৳৫০০ বিনিয়োগ, প্রথম তিন বাজিতেই দুটো জয়। মোট লাভ ৳৮৫০।
প্রথম মাস
ধীরে ধীরে বাজির পরিমাণ বাড়ালেন। বিশ্লেষণ পেজ নিয়মিত পড়তেন। মাস শেষে মোট লাভ ৳১২,০০০।
দ্বিতীয় মাস
IPL সিজনে বেটিং বাড়ল। ok tk1-এর প্রমোশন অফার ব্যবহার করে বোনাস পেলেন। মাসিক লাভ ৳২৮,০০০।
তৃতীয় মাস (ঈদের আগে)
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে বড় বাজি ধরলেন। ঈদের ঠিক আগে মোট ব্যালেন্স দাঁড়াল ৳৮৫,০০০+।
ok tk1-এ কী বিশেষ পেলেন?
রাশেদ ভাই বলেন, শুধু জেতার কথা নয় – ok tk1-এর পুরো অভিজ্ঞতাটাই তাঁকে টেনে রেখেছে। উইথড্রলের জন্য কখনো ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়নি। বিকাশে টাকা আসতে গড়ে পাঁচ থেকে আট মিনিট সময় লেগেছে। কাস্টমার সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার সুযোগ তাঁর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান মনে হয়েছে।
- মোবাইল অ্যাপে লাইভ স্ট্রিমিং দেখতে দেখতে বাজি ধরা – এটা অন্য কোথাও পাননি।
- ok tk1-এর বিশ্লেষণ পেজে প্রতিটি ম্যাচের আগে বিস্তারিত পূর্বাভাস পাওয়া যায়।
- ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধায় নিজের বাজেট নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়েছে।
- প্রতি সপ্তাহে ক্যাশব্যাক অফার পাওয়া যায়, যা ঝুঁকি অনেকটা কমায়।
রাশেদ ভাইয়ের মতো হাজারো মানুষ প্রতিদিন ok tk1-এ যোগ দিচ্ছেন এবং তাদের ক্রিকেট জ্ঞান ও বিশ্লেষণ দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে বাড়তি আয় করছেন। তবে ok tk1 সবসময় মনে করিয়ে দেয় – বেটিং বিনোদনের জন্য, বাজেটের মধ্যে থেকে দায়িত্বশীলভাবে খেলাই সেরা পথ।